বড়লেখায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে মিলল শেষ বার্ত
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামে ঝুমা রানী দাস (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ঝুমা রানী স্থানীয় রূপন দাসের
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে স্বামী ও অন্যান্য সদস্যরা মৌলভীবাজারে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। অসুস্থ থাকায় ঝুমা রানী তাদের সঙ্গে যেতে পারেননি। পরে দুপুরের খাবার শেষে তিনি নিজের কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর পাশের বাড়ির এক নারী দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হলে ধাক্কা দেন। দরজা খোলার পর তিনি ঝুমাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এসে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঝুমার হাতে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল—
“আমার স্বামী অনেক ভালো মানুষ। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমার মেয়ের দিকে খেয়াল রাখবেন।”
নিহতের ভাই জানান, ওই চিরকুটের লেখাটি তার বোনের হাতের লেখা।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয় এবং পরে বিকেলে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের হাতে পাওয়া চিরকুটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: ষাটমাকন্ঠ
