অনাবাদি জমি আবাদে সাফল্য বড়লেখার শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বদরুজ্জামান।
পতিত ও অনাবাদি জমিকে ফসলের আওতায় এনে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদানের জন্য মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বদরুজ্জামান জবরুল।
গত শনিবার (২০ জুন) সিলেট পিটিআই মিলনায়তনে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প -এর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালায় তার হাতে এই শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বিভাগীয় ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বদরুজ্জামান জবরুলের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করার ফলে বড়লেখায় ফসলি জমির পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার আওতাধীন এলাকার প্রায় ২০০ বিঘা অনাবাদি জমিতে সরিষা এবং ৩০ বিঘা পতিত জমিতে বোরো ধানের সফল চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন এলাকায় খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে, অন্যদিকে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল জাত এবং আধুনিক চাষ পদ্ধতি ব্যবহারের প্রতি আগ্রহ ও আস্থা তৈরি হয়েছে। যার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এই গৌরব অর্জন করায় বদরুজ্জামান জবরুল বলেন, এই অর্জন আমার একার নয়। মাঠপর্যায়ের কৃষক ভাই-বোনদের আন্তরিকতা এবং আমাদের কৃষি বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনার ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে বড়লেখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনোয়ার হোসেন স্যার এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এ, এস, এম, রাশেদুজ্জামান বিন হাফিজ স্যারের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা আমাকে মাঠে কাজ করতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি আরও বলেন, মাঠের কৃষক ভাই-বোনদের আস্থাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে, সেই লক্ষ্য নিয়ে ভবিষ্যতেও আমি অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনার কাজ করে যাব।

