বড়লেখায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
নিজস্ব প্রতিবেদক:
“মেধা যখন সঠিক স্বীকৃতি পায়, তখন তা আরও দীপ্ত হয়ে সমাজকে আলোকিত করে।” এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বড়লেখায় অনুষ্ঠিত হলো এক অনন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সম্প্রতি হাসান কম্পিউটার ইনস্টিটিউটের একক পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসুক আহমেদ এবং প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক বিলাল আহমদ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে হাসান কম্পিউটার ইনস্টিটিউটের পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল হাসান তাহাদার সাজু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন— আজকের কৃতিত্ববান শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির রূপকার। শুধু ভালো ফলাফলে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না; নৈতিকতা, চরিত্র ও প্রযুক্তি জ্ঞানেও হতে হবে অগ্রগামী। এই সম্মাননা তাদের স্বপ্নযাত্রার নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
আলোচনায় অংশ নেন হাজি শামসুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল আহমদ ও সহকারী শিক্ষক খালেদ আহমদ, দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদরুল হক, লুৎফুর রহমান, শুভ্র কান্তি সেন, সাইফুল ইসলাম, গাংকুল সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম এবং ষাটমাকন্ঠ পত্রিকার দক্ষিণভাগ ইউপি প্রতিনিধি অজিত রবিদাশ।
বক্তারা বলেন, এ-প্লাস কোনো সাধারণ কাগুজে গ্রেড নয়; এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে পরিবারের ত্যাগ আর শিক্ষকের নিরলস পরিশ্রমের প্রতিফলন। একজন প্রকৃত শিক্ষার্থীর পরিচয় কেবল পরীক্ষার ফল নয়, বরং তার মানবিক গুণাবলি ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষমতাই তাকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বর্তমান যুগে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য, যা ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নেবে।
এ-প্লাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম, গালিব, বর্ষা রানী কালওয়ার, খাদিজা জান্নাতসহ আরও অনেকে। সংবর্ধনা প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, এই সম্মাননা তাদের জীবনে বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকবে এবং বড় স্বপ্ন পূরণের পথে সাহস জোগাবে।
অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। করতালির ধ্বনি ও আনন্দঘন পরিবেশে সমাপ্ত হয় এ মহতী আয়োজন, যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক সবার হৃদয়ে ছড়িয়ে দেয় অনুপ্রেরণার সুর।
