বড়লেখায় ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার আয়োজনে জমজমাট মৌসুমি ফল উৎসব
বড়লেখায় ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার আয়োজনে জমজমাট মৌসুমি ফল উৎসব
নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়লেখা
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য মৌসুমি ফল উৎসব। শুক্রবার (২০ জুন) বিকেল ৪টায় পৌর শহরের ষাটমাকণ্ঠ কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করে নবপ্রকাশিত পত্রিকাটি। সহযোগিতায় ছিল ‘ষাটমা মিডিয়া লিমিটেড’।
রঙিন আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, জামরুল, লটকন, কটবেল, আমড়া, ডেউয়া, করমচা, তাল, কলাসহ নানা জাতের দেশীয় মৌসুমি ফল নিয়ে সাজানো হয় উৎসবস্থল। ফলের রঙ আর ঘ্রাণে এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয় যা স্থানীয় মানুষের মাঝে আনন্দ, উৎসাহ ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়।
বাঙালির ঐতিহ্য আর স্বাস্থ্যসচেতনতা একসাথে ফুটে ওঠে এ আয়োজনে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও ষাটমা মিডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম, সঞ্চালনায় ছিলেন বার্তা সম্পাদক তাহমীদ ইশাদ রিপন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মনোয়ার হোসেন
জুড়ী টিএন খানম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অরুণ চন্দ্র দাস
বড়লেখা প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম
বড়লেখা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. নিয়াজ উদ্দিন
সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফ পারভেজ,
উপজেলা স্কাউট লিডার হালিমতুন সাদিয়া লিলি,
উপজেলা নিসচার সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম
এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “শিশু-কিশোরদের মাঝে ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে এরকম উৎসব গুরুত্বপূর্ণ। ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার এ উদ্যোগ স্বাস্থ্যসচেতন সমাজ গঠনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
বড়কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক রশিদ আহমদ খান বলেন, “এই প্রথম আমি কোনো ফল উৎসবে অংশ নিচ্ছি, এটি আমার জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।”
ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধিরাও তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। আশফাক আহমদ, আফজাল হোসেন রুমেল, রেদওয়ান আহমদ, নিজাম উদ্দিন, শাহরিয়ার শাকিল, মাহিনুর ইসলাম মাহিনসহ অনেকেই উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
ষাটমাকণ্ঠ: বড়লেখার প্রতিচ্ছবি
পত্রিকাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এই আয়োজন শুধু ফল উৎসব নয়, এটি একটি সামাজিক বার্তা—দেশীয় ফলের প্রতি ভালোবাসা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা। আগামীতে আমরা আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করতে চাই।”
উল্লেখ্য, ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকা ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল অনলাইন সংস্করণে যাত্রা শুরু করে। আগামী ১ জুলাই থেকে এটি মাসিক প্রিন্ট সংস্করণে প্রকাশিত হবে।
উৎসব শেষে অংশগ্রহণকারীদের মুখে ছিল সন্তুষ্টির হাসি, হাতে ছিল স্বাস্থ্যকর ফলের থলে আর হৃদয়ে ছিল সচেতন সমাজ গঠনের অঙ্গীকার।
ষাটমাকণ্ঠ পত্রিকা ও ষাটমা মিডিয়া লিমিটেডের এমন সাহসী ও জনমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
